ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রিতে শীত উপেক্ষা করে ঈশ্বরদীা মাঠে মাঠে পেঁয়াজের চারা রোপনে ব্যস্ত কৃষক

🕒 আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ৫:১৫ অপরাহ্ণ


ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :


পাবনার ঈশ্বরদীতে শীতের তীব্রতা আরো বেড়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকের্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠান্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশায় জনজীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। এদিকে শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে ঈশ্বরদীর মাঠে মাঠে শীতকালীন চারা পেয়াঁজ রোপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে এবার ঈশ্বরদী উপজেলায় ৯০ হেক্টর জমিতে চারা পেঁয়াজ রেপনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মাঠে মাঠে চারা রোপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, প্রচন্ড শীতেও থেমে নেই পেঁয়াজের মাঠে কাজ করা খেটে খাওয়া দিন মজুরদের কর্মযজ্ঞ। ঈশ্বরদীর সাহাপুর, সলিমপুর, দাশুড়িয়া, লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ও চরাঞ্চলে শীতকালীন চারা পেঁয়াজ চাষের ধুম পড়েছে।

উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভারইমারী গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ জানান, তিনি ১১ বিঘা জমিতে শীতকালীন চারা পেঁয়াজের চারা রোপণ শুরু করছেন। একই ইউনিয়নের চাঁদপুর লক্ষিখোলা গ্রামে পেঁয়াজের জমিতে চারা রেপন করছিলেন কৃষি শ্রমিক শহিদুল ইসলাম, আ. খালেক, মন্টু মিয়া ও শামিলপুর গ্রামের রহমত প্রামানিক, আবু প্রামানিক, সিরাজুল ইসলাম, খলিলুর রহমান, আমির আলীসহ অন্যান্য কৃষি শ্রমিকরা। তারা জানান, প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস, শীতের তীব্রতা ও ঘন কুয়াশার মধ্রে জমিতে কাজ করা কঠিন।

কিন্তু কাজ না করে উপায় নেই তাই শীত ঠান্ডা উপেক্ষা করে তারা কাজে এসেছেন। ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হাসান হিরক জানান, প্রতি হেক্টরে ১৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল মমিন জানান, ঈশ্বরদীতে এবার ৯০৯ হেক্টর জমিতে শীতকালীন চারা পেঁয়াজ রোপন করা হবে।

এবছর ঈশ্বরদীতে ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হবে বলে প্রাথমিকভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের সহকারী তাপমাত্রা পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, শুক্রবার ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা এ বছরের শীত মওসুমে ঈশ্বরদীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।